ডেস্ক রিপোর্ট: তেহরানের কেন্দ্রীয় মসজিদে স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিয়া ধর্মীয় নেতা জাফর সোবহানি জানাজায় ইমামতি করেন। এর আগে গুঞ্জন থাকলেও, মুজতবা খামেনি পিতার জানাজায় নেতৃত্ব দেননি।
বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, জানাজাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার থেকেই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রথম দিনেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর চার মাসেরও বেশি সময় পর ইরান সরকার নয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়ের আয়োজন করে।
শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। শনিবার ভোরে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় এবং রোববার বিকেল পর্যন্ত সাধারণ মানুষ সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।
১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের এক ধর্মীয় পরিবারে আলী খামেনির জন্ম। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা সৈয়দ জওয়াদ খামেনি ছিলেন একজন সুপরিচিত শিয়া আলেম এবং মা খাদিজে মির্দামাদী ছিলেন ধর্মপ্রাণ নারী।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার মাশহাদ শহরেই তাকে দাফন করা হবে।
