ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীতে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ জানিয়েছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও ডিজিটাল অর্থনীতির চাহিদা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা স্নাতক শেষ করার আগেই অন্তত একটি ব্যবহারিক বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা অ্যানালিটিক্স, আইসিটি ও ডিজিটাল দক্ষতার গুরুত্ব বাড়ছে। এ বাস্তবতায় ইংরেজি ও আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি কোডিং, এআই লিটারেসি, সফট স্কিল এবং তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকেও পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
উপাচার্য আরও জানান, শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, মাইক্রো লার্নিং ও মাইক্রো ক্রেডেনশিয়াল কোর্স চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণরা বৈশ্বিক প্রযুক্তিনির্ভর কর্মবাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারবে।
