বিইউবিটি ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো আন্তঃস্কুল জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬।
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী আন্তঃস্কুল জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ফুলকুঁড়ি আসর, ঢাকা মহানগরী অভিযাত্রী শাখার বিতর্ক সংগঠন অভিযাত্রী স্কুল অব ডিবেট-এর উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৩২টি স্কুলের বিতর্ক দল অংশ নিচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিতার্কিক, বিচারক, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিইউবিটির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. শওকত আলী। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বিতর্ক একজন শিক্ষার্থীকে শুধু দক্ষ বক্তা হিসেবে গড়ে তোলে না, বরং যুক্তিবাদী, বিশ্লেষণধর্মী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও গড়ে তুলতে সহায়তা করে। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে যুক্তির চর্চা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে শুরু হয় প্রতিযোগিতার বাছাই পর্ব। প্রথম দিনে চারটি বাছাই রাউন্ডের পাশাপাশি কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী দলগুলো তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্য, যুক্তি ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরে।
আয়োজকরা জানান, প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিন শনিবার (২২ আগস্ট) সেমিফাইনাল ও গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বিজয়ী দল, রানার-আপ, সেরা বক্তাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের ট্রফি, ক্রেস্ট, সনদপত্র ও সম্মাননা দেওয়া হবে।
জাতীয় পর্যায়ের এ আয়োজনের পাওয়ার্ড বাই হিসেবে রয়েছে পূবালী ব্যাংক। ব্রোঞ্জ স্পনসর আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ও রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস। স্টেশনারি পার্টনার পেন্টোনিক, ক্লাব পার্টনার বিইউবিটি ডিবেটিং ক্লাব, ভেন্যু পার্টনার বিইউবিটি, ম্যাগাজিন পার্টনার মাসিক ফুলকুঁড়ি এবং ক্রিয়েটিভ পার্টনার তর্কারি।
এ ছাড়া মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে এশিয়া পোস্ট ও ঢাকা পোস্ট।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিবোধ, নেতৃত্ব, গবেষণার আগ্রহ, শুদ্ধ ভাষাচর্চা ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মানসিকতা আরও বিকশিত হবে। পাশাপাশি জ্ঞানভিত্তিক, দায়িত্বশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতেও এ আয়োজন ভূমিকা রাখবে।
