ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে স্থিরতা ফিরিয়ে আনতে একটি ভালো নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা স্থিতিশীল সরকারের নিশ্চয়তা চায়, তাই সরকার ঘোষিত সময়ে একটি ভালো নির্বাচন হলে দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে, খবর ইউএনবি র।
ড. মোস্তাফিজুর বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন কেবল সরকারের অর্জন নয়, এটি বেসরকারি খাত এবং জনগণের জাতীয় অর্জন। যদিও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পেছানোর আবেদন করা হয়েছে, প্রস্তুতি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের ফলে বড় পোশাক কারখানায় তেমন সমস্যা না হলেও ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোতে কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, ওষুধ শিল্পে প্যাটেন্ট সুবিধা না থাকায় ওষুধের দাম ১০ থেকে ৩০ গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর আরও বলেন, আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে। গত সরকারের তথ্য বিভ্রাটে ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা দেখানো হলেও প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৫ লাখ কোটি টাকা। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিযোগিতাযোগ্যতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পোর্ট ও লিড টাইম হ্রাস গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ছায়া সংসদে এই মন্তব্য করেন ড. মোস্তাফিজুর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির ছায়া সংসদে ‘এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা’ শীর্ষক বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। প্রাইম ইউনিভার্সিটি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করেন। বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, প্রফেশনাল একাউন্টেন্ট আবুল বশির খান, অধ্যাপক আল-আমিন এবং সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।
