ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশে বিলাসবহুল গাড়ির মালিকদের একটি বড় অংশ তাদের কর রিটার্নে এসব গাড়ির তথ্য গোপন করছেন বলে সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তদন্তে উঠে এসেছে। এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) জানিয়েছে, নিবন্ধিত বিলাসবহুল গাড়ির মধ্যে প্রায় অর্ধেক গাড়ির তথ্য রিটার্নে পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ৩০৯টি বিলাসবহুল গাড়ির মধ্যে ১২৩টি-র তথ্য লার্জ ট্যাক্সপেয়ার্স ইউনিটের করদাতারা রিটার্নে দেননি। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে, অনেক করদাতা তাঁদের কর ফাইলে সম্পদের সঠিক তথ্য উল্লেখ করছেন না।
সিআইসি’র মতে, এসব গাড়ি ক্রয়ের পেছনে অবৈধ অর্থ জড়িত থাকতে পারে। ফলে কর ফাঁকি এবং অর্থপাচার সন্দেহে এসব মালিকদের কর ফাইল পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।
এছাড়া, ৫,২৮৮টি বিলাসবহুল গাড়ির মধ্যে ১,৩৩৯টি গাড়ির তথ্য রিটার্নে নেই, এবং ৪০৯ জন মালিক কর রিটার্নই দাখিল করেননি। এদের মধ্যে অনেকে গোপনে গাড়ির মালিকানা হস্তান্তরও করেছেন। বিলাসবহুল গাড়ির তালিকায় শীর্ষে:
রোলস রয়েস, ফেরারি, ল্যাম্বরগিনি, পোর্শে, জাগুয়ার: উল্লেখযোগ্য পরিমাণ
টয়োটা (৩ হাজার সিসির বেশি): ১,৩৩৫টি ,বিএমডব্লিউ: ১,২২৭টি ,মার্সিডিজ: ৭৭৪টি ,জিপ: ৬৯৫টি ,ল্যান্ড রোভার: ৫০৮টি ,অডি: ৪৮৬টি
রেঞ্জ রোভার: ২১৯টি
এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানান, “যেখানেই কর ফাঁকি ধরা পড়বে, সেখানেই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। কর ফাঁকি কোনভাবেই সহ্য করা হবে না।
