নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল, বিশেষ করে বড় হল ও কেন্দ্রীয় বুথে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন,”যারা ডাকসু নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে আমাদের অবস্থান তাদের বিরুদ্ধে। ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা সকলকে গনতন্ত্রের মেসেজ দিতে চাই।শিক্ষার্থীরা যাকে নেতা হিসেবে বেছে নিবে তাকেই আমরা গ্রহণ করবো।”
অমর একুশে কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে ক্রস দেয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি,আমরা বলেছি সে যে ই হোক তাকে এ্যারেস্ট করেন।তাকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।”
যেকোনো ফলাফল মেনে নিবেন কীনা প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, “আমরা আশা রাখছি,আমরা সে।জায়গায় কনফিডেন্ট। শিক্ষার্থীদের উপর আস্থা রাখছি”
অন্যদিকে ডাকসু নির্বাচনে অনাস্থা প্রকাশ করে আবু বাকের মজুমদার বলেন,”এ ধরনের নির্বাচন আশা করিনাই।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এরকম বিতর্কিত ডাকসু ডিজার্ভ করে না।”
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের সময়ে বড় ধরনের কোনো হিংসা বা বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। তবে কয়েকটি স্থানে অভিযোগ পেয়েছে, যা যাচাই বাছাই চলছে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হচ্ছে। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা মোতায়েন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্হা জোরদার করা হচ্ছে।
ভোট গণনা কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। প্রাথমিক ফলাফল রাতের মধ্যেই জানানো হতে পারে। শিক্ষার্থীরা ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন, যা এবারের নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
