ডেস্ক রিপোর্ট: ধর্মপ্রাণ সাধরণ মানুষের জন্য হজকে আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে মানবিক, প্রবাসীবান্ধব ও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে সরকার কাজ করবে।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজ একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম, যা সৌদি আরব ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। হজের মোট ব্যয়ের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সৌদি আরব অংশে নির্ধারিত হয়। এর মধ্যে মিনা ও আরাফাতের তাঁবু ভাড়া, পরিবহন, আবাসন, কুরবানি, ভিসা ও বিমা ফিসহ বিভিন্ন খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশ অংশে হয়, যার বড় অংশ বিমান ভাড়া।
তিনি জানান, চলতি বছরে কুরবানিসহ সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা। এর মধ্যে সৌদি আরব অংশের ব্যয় ৩ লাখ ৭৯৭ টাকা এবং বাংলাদেশ অংশের ব্যয় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। বাংলাদেশ অংশের ব্যয়ের মধ্যে বিমান ভাড়া রয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর হজ প্যাকেজের খরচ ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে হজযাত্রীরা এর সুফল পেয়েছেন।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সৌদি আরব কর্তৃক নির্ধারিত ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে আগামী বছর হজ প্যাকেজের মূল্য আরও কমানো বা যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার জন্য সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
