WASHINGTON, DC - NOVEMBER 07: U.S. President Donald Trump speaks during a bilateral lunch with Prime Minister of Hungary Viktor Orban in the Cabinet Room of the White House on November 7, 2025 in Washington, DC. Trump and Orban discussed the war in Ukraine, Hungary’s purchase of Russian oil, and European relations. (Photo by Roberto Schmidt/Getty Images)
ডেক্স রিপোর্ট: গ্রিনল্যান্ড দখল ইস্যুতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনায় রাখছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন মন্তব্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই আর্কটিক অঞ্চলের এই দ্বীপটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বুধবার (৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয়।
হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার নিরাপত্তা টিম গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে সব ধরনের বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। এর মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজনে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আর্কটিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা দেশটির নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের পর ইউরোপের একাধিক দেশ ডেনমার্কের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনসহ ছয়টি ইউরোপীয় দেশ যৌথ বিবৃতিতে জানায়, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণ ও ডেনমার্কের রয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন যুক্তরাষ্ট্রকে সম্মানজনক সংলাপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই যে কোনো আলোচনা হতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আর্কটিক অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যপথ, বিরল খনিজ সম্পদ এবং সামরিক কৌশলগত সুবিধার কারণে গ্রিনল্যান্ডের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এই দ্বীপে রাশিয়া ও চীনের আগ্রহও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মাত্র ৫৭ হাজার মানুষের এই দ্বীপ ঘিরে সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
