নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর শান্তিনগরে অবস্থিত হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত রেগুলেশন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। ফলে প্রতিষ্ঠানটি নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে ।
জানা গেছে, কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ ইমরুল কায়েসকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেগুলেশনের ৪(ক)-১ এবং ৫(ক) ২, ৩, (গ) ধারাসমূহ ভঙ্গ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে এলে হাইকোর্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।
হাইকোর্টের দেওয়া নোটিশে নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ ইমরুল কায়েসকে চার সপ্তাহের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ অভিযোগ করেছে যে, রেগুলেশন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বিজ্ঞপ্তি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে।
আইনজীবীরা বলছেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেগুলেশন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় রাখার মূল নীতিমালা। সেক্ষেত্রে এ নিয়ম ভঙ্গ করলে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং বিচার বিভাগ এ ধরনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলছেন, যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
বর্তমানে হাইকোর্টের এই নোটিশের কারণে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
অধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে তা পরবর্তীতে কোন দিকে মোড় নিবে সেটি বর্তমানে অধ্যক্ষের কারণ দর্শানোর নোটিশের উত্তর এবং হাইকোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর নির্ভর করছে।




