
ডেস্ক রিপোর্ট: নেপালে সরকার পতনের মাধ্যমে দেশে বর্তমানে আনুষ্ঠানিক কোনো শাসক নেই। জনগণের তীব্র আন্দোলনের জেরে মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা অলি পদত্যাগ করেন।
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মঙ্গলবার রাত থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। বুধবার সারাদিন রাজধানী কাঠমান্ডুতেও দেখা যায় তাদের উপস্থিতি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সেনাবাহিনী কোনো শাসনকার্য চালাচ্ছে না—এমনটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে।
দুদিনব্যাপী চলা আন্দোলনের প্রথম দিকে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দেখা যায়নি। সোমবার আন্দোলনের শুরুতে পুলিশ আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক তৎপরতা চালায়। কিন্তু তা সামাল দিতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাওদেলের নির্দেশে সেনাবাহিনী রাস্তায় নামে।
এদিকে, সরকার পতনের পর থেকে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর কর্তাব্যক্তিরা জনগণকে সংযত রাখতে চেষ্টা করছেন। এছাড়াও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতি রক্ষা করতে এবং জনজীবন স্বাভাবিক করতে নিজ দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী নেপালের সেনাবাহিনী।”
নেপালে সরকার বিলুপ্ত হওয়ায় বর্তমানে সেখানে প্রশাসনিক শূন্যতা বিরাজ করছে। সংবিধান অনুযায়ী খুব দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বেছে নিতে হবে নেপালের নাগরিকদের। “বর্তমানে দেশ চালাচ্ছে কারা?”—এমন প্রশ্নে পোখরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক যোগরাজ লামিচানে বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী শুধু শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কাজ করবে, প্রশাসনিক শূন্যতা পূরণের ভূমিকা পালন করবে না।”
