নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৩টা পদের বিপরীতে ২৬০ জন, সিনেট-এ ৫ জন ছাত্র প্রতিনিধি পদে ৬২ জন এবং ১৭টি হল সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ৬০৩ জনসহ সর্বমোট ৯২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে সর্বোচ্চ ২০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাকসু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল কার্যক্রম শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় সংসদে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৫ জন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ১৬ জন;
সম্পাদক, ক্রীড়া ও খেলাধুলা পদে ৯ জন; সহকারী সম্পাদক, ক্রীড়া ও খেলাধুলা পদে ৬ জন; সম্পাদক, সংস্কৃতি বিষয়ক পদে ১১ জন; সহকারী সম্পাদক, সংস্কৃতি বিষয়ক ৯ জন; সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক ৭ জন; সহকারী সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক ৮ জন; সম্পাদক, তথ্য ও গবেষণা ১৩ জন; সহকারী সম্পাদক, তথ্য ও গবেষণা ৮ জন; সম্পাদক, মিডিয়া ও প্রকাশন ১০ জন; সহকারী সম্পাদক, মিডিয়া ও প্রকাশনা ১০জন; সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ৯জন; সহকারী সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ৮ জন; সম্পাদক, বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক ৯ জন; সহকারী সম্পাদক, বিতর্ক ও সাহিত্য বিষয়ক ৬ জন; সম্পাদক, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ ১২ জন; সহকারী সম্পাদক, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ ১৮ জন এবং ৪টি নির্বাহী সদস্য পদের বিপরীতে মোট ৫৬ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সিনেট-এ ছাত্র প্রতিনিধি পদপ্রার্থী ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী এস. এম. তাহমিদ হাসান বলেন, আসন্ন রাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরী হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকুক, নির্বাচন হোক অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক এই কামনা। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় সম্ভব হবে। এছাড়াও তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি মনোনয়নপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে আচারণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। যেখানে আচারণবিধিতে মনোনয়ন সংগ্রহ ও দাখিলের সময় কোনো প্রকার মিছিল বা শোভাযাত্রা করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং প্রার্থী ৫ জনের বেশী সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্ত এই বিষয়টি প্রকাশ্যে লঙ্ঘন করা হলেও প্রশাসন এক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করছে। আচরণবিধির বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর তৎপরতা প্রয়োজন।
মনোনয়ন দাখিলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, আজকে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত থাকলেও প্রার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা সময় বৃদ্ধি করেছি। আজ রাত ৮টা পর্যন্ত আমরা মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছি। এখন আমরা ২ দিন প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করে ১০ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব।
