৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
ডেস্ক রিপোর্টঃ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সভার আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতার অন্যতম অঙ্গীকার ছিল গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তবে স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথে বাধা তৈরি হয়েছে। মানুষ নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম ও গুমের শিকার হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আহমেদ আযম খান বলেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় এগিয়ে আসে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা বজায় রাখা জরুরি।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবুল হাশানাত হুমায়ুন কবীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ইলিয়াছ খান।
সভাপতি ও বিশেষ অতিথিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং জাতীয় জীবনে দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় সংহতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন।
এর আগে, আলোচনা সভা শুরুর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমন্ত্রিত অতিথি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
