ডেস্ক রিপোর্ট: চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুজনের কাছে শটগান ছিল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তারা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে মাকসুদুল হককে হত্যা করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য। ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হলেও অভিযুক্তরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার পেছনের কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, কর্ণফুলী নদীসংলগ্ন বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে পুলিশ এখনই কোনো নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করেনি।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতারাও হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া অস্ত্রধারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
