ডেস্ক রিপোর্টঃ আজ ৩০ আগস্ট, শনিবার। বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। রাষ্ট্রীয় কিংবা অরাষ্ট্রীয়ভাবে সংঘটিত গুম ও জোরপূর্বক নিখোঁজের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ, তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানানো এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধের আহ্বান জানাতেই দিনটি পালিত হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১০ সালে দিবসটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়। এর সূত্রপাত ঘটে আন্তর্জাতিক সনদ “International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance” থেকে, যেখানে গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের বহু দেশে আজও রাজনৈতিক, সামাজিক বা ভিন্নমত দমনে গুমের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবার দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে বসবাস করছে।
বাংলাদেশেও এ ধরনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তুলে আসছে। তারা বলছে, গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার মানবিক ও সামাজিক সংকটে পড়ছে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এ প্রবণতা আরও বাড়ছে। এ কারণে দিবসটি দেশে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।এ দিন উপলক্ষে মানবাধিকার সংস্থা, ভুক্তভোগী পরিবার ও নাগরিক সমাজ ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করছে। তারা গুমের শিকারদের ফিরিয়ে দেওয়া, স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুম শুধু ভুক্তভোগীর অধিকারই লঙ্ঘন করে না; এটি একটি সমাজের গণতান্ত্রিক কাঠামোকেও দুর্বল করে তোলে। তাই গুম প্রতিরোধে সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ উদ্যোগ জরুরি।
