নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ: আচরণবিধি মানতে ইসি’র কঠোর নির্দেশ
ডেক্স রিপোর্ট: ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট। ভোটগ্রহণের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফল প্রকাশের সময় নিয়ে দেশজুড়ে ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল। একদিনেই কি জানা যাবে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল, নাকি গণনায় দুই-তিন দিন সময় লাগবে—এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশনের প্রত্যাশা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রভিত্তিক গণনা শুরু হবে এবং ভোটের পরদিন অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অধিকাংশ আসনের ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবার ভোটাররা দুটি আলাদা ব্যালটে ভোট দেবেন এবং এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে পোস্টাল ব্যালটের গণনা। ফলে স্বাভাবিক নির্বাচনের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগলেও ফল প্রকাশে অযথা বিলম্ব হবে না।
ইসি আরও জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে গণনা ও একযোগে ঘোষণা করা হবে, যাতে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অস্থিরতা তৈরি না হয়। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই প্রাথমিক ফল প্রকাশ করা হবে এবং পরে সব কেন্দ্রের ফল একীভূত করে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশ করা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ফল সংগ্রহ ও যাচাইয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হলো—ভোটের পরদিন দিনের প্রথম ভাগেই অধিকাংশ ফলাফল প্রকাশ করা। তবে বাস্তব পরিস্থিতি, দূরবর্তী কেন্দ্র থেকে ফল আসার সময় এবং পুনর্গণনার প্রয়োজন হলে কিছু ক্ষেত্রে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলেও ইসি ইঙ্গিত দিয়েছে।
