ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্বখ্যাত ইসলামিক বক্তা ড. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইউনাইটেড পিপলস (আপ) বাংলাদেশের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ; এখানে কে আসবে আর কে আসবে না, তা নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ, কোনো বিদেশি শক্তি নয়।
বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারতের প্রেসক্রিপশন মেনে ড. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থি।
জবি আপের সংগঠক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে খুনি হাসিনা বাংলাদেশকে ভারতের কলোনিতে পরিণত করেছে। জুলাইয়ের অভ্যুত্থান ছিল সেই আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ। আমরা আশা করেছিলাম নতুন সরকার ভারতের চোখে চোখ রেখে কথা বলবে, কিন্তু ড. নায়েকের প্রবেশে ভারতের ভেটো সেই আশাকে ব্যর্থ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের ছোট-বড় প্রতিটি ইস্যুতেই ভারতের প্রভাব দেখা যায়। ৫ আগস্টের পর জাতি আর কোনোভাবেই ভারতীয় আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না।”
আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য মাসুদ রানা বলেন, “ড. জাকির নায়েক কোনো অপরাধী নন; তিনি ২০০ কোটি মুসলমানের হৃদয়ের প্রেরণা। ভারত যদি তাকে ফেরত চায়, তবে আগে যারা গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত—তাদের ফেরত দিতে হবে। নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি সন্ত্রাসী হতে পারেন, কিন্তু আমাদের কাছে তিনি শান্তির দূত।”
বক্তারা সরকারের প্রতি ড. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া এবং ভবিষ্যতে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের আহ্বান জানান।
