মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।
ডেক্স রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় ২৪ জন বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাসহ মোট ৩০ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
এদের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত এবং ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। ফলে প্রশ্ন উঠেছে — তাদের বিচার কোন আইনে হবে?
আইনজীবী ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, সেনা সদস্যদের পেশাগত অপরাধের বিচার সামরিক আদালতে হলেও, সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার হয় ফৌজদারি আদালতে।
তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনী অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কেউ সরকারি চাকরিতে থাকতে পারবেন না।
অতীতে যেমন নারায়ণগঞ্জ সাত খুন মামলায় সেনা কর্মকর্তাদের বিচার প্রচলিত আইনে হয়েছে, তেমনই এবারও এই মামলাগুলোর বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনেই হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীমের মতে, সংবিধান অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন দেশের সর্বোচ্চ আইন; তাই সেনা সদস্যরাও এই আইনের আওতায় বিচারযোগ্য।
এদিকে, আইনজীবীরা বলছেন, এটি বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় এক নজিরবিহীন অধ্যায় — যেখানে কর্মরত সেনা কর্মকর্তারা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন।
