ডেস্ক রিপোর্ট: কখনও কখনও ছোট ছোট পরিবর্তনই পুরো ঘরের পরিবেশকে অন্য রকম করে তোলে। আসবাবপত্রের অবস্থান বদলানো বা শো-পিসগুলো নতুনভাবে সাজানো দিয়ে ঘরে আসতে পারে এক নতুন আবহ। নতুন কিছু কেনার প্রয়োজন নেই—সঠিক পরিকল্পনা ও সামান্য সৃজনশীলতাই ঘরকে করে তুলতে পারে দৃষ্টিনন্দন ও আরামদায়ক।
অ্যালবামে জমে থাকা ছবি দিনের পর দিন দেখা হয় না। এগুলো বাঁধাই করে দেয়ালে সাজালে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে প্রিয় মুহূর্তগুলো আপনার ঘরকে করে তোলে জীবন্ত ও স্মৃতিময়।

সকল সময় বড় দোকান থেকেই ঘর সাজানোর সামগ্রী কিনতে হবে এমন নয়। রাস্তার পাশের ছোট দোকানেও পাওয়া যায় আকর্ষণীয় শো-পিস এবং সৃজনশীল জিনিস। পথ চলার সময় নজর রাখলে পেয়ে যেতে পারেন আপনার পছন্দের কিছু জিনিস।
পালঙ্ক, ট্রাংক, গ্রামোফোন কিংবা কারুকাজ করা বসার তেপায়া—এসব সামান্য রং বা মেরামতি করলে অত্যন্ত অভিজাত রূপ পেতে পারে। জমিয়ে রাখা নুড়ি, ঝিনুক, মার্বেল বা ডাকটিকিট কাঁচের পাত্রে সাজিয়ে রাখলেও ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

যাদের বাগান করার শখ আছে, তারা জানালার ধারে, বারান্দা বা ছাদে ছোট ফুলের গাছ লাগাতে পারেন। ঝুলন্ত টবে বা ছোট কাচের জারে গাছ রাখতে পারেন। বইয়ের পাশে, টেবিলে বা আসবাবে অল্প কিছু সবুজ রাখলেই ঘর হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
ফুল দিয়ে ঘর সাজানো কম খরচে সবচেয়ে কার্যকর। ঘরের এক কোনায় একটি বাগান বা ফুলের গুচ্ছ রাখলেই মন ভরে যায় প্রশান্তিতে। এটি ঘরকে উজ্জ্বল ও শৈল্পিক দেখায়।
ঘরে একটি রঙিন ল্যাম্প রাখলেই তা আভিজাত্য বৃদ্ধি করে। হলুদ, লাল, নীল, সবুজ বা বিভিন্ন রঙের মিশ্রণে তৈরি ল্যাম্প পাওয়া যায়। ঝুলিয়ে বা টেবিলে রাখা যেকোনো ল্যাম্প ঘরের পরিবেশকে দারুণ পরিবর্তন করে।

ঘর সাজানো মানে শুধুই নতুন জিনিস কেনা নয়। সামান্য বুদ্ধি ও সৃজনশীলতা ব্যবহার করে আপনার ঘরকে ঘরোয়া আর রুচিশীল করে তোলা সম্ভব। এমনভাবে সাজানো ঘরে প্রতিদিন কাজের শেষে ফিরে আসলে মনও হয় প্রশান্ত এবং শরীরও অনুভব করে আরাম।
