ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই–আগস্ট) বিদেশি ঋণ পরিশোধে আগের বছরের তুলনায় ১৩.২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে সরকার মোট ৬৬৭.১১ মিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের ৫৮৯.২২ মিলিয়নের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
এর মধ্যে ঋণের আসল অর্থাৎ প্রিন্সিপাল পেমেন্ট পরিশোধ করা হয়েছে ৪৮৮.৭৯ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের ৪১৫.৬২ মিলিয়নের চেয়ে ১৭.৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, সুদ পরিশোধ বেড়েছে ২.৭১ শতাংশ। জুলাই-আগস্টে উন্নয়ন সহযোগীদের সুদ বাবদ সরকার পরিশোধ করেছে ১৭৮.৩২ মিলিয়ন ডলার, যেখানে আগের বছর ছিল ১৭৩.৬০ মিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে জুনের মধ্যে দেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশ সরকারি খাতে প্রবাহিত হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, একাধিক দাতা সংস্থার অর্থ ছাড়ের ফলে সরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়েছে।
তাঁরা সতর্ক করে বলেছেন, সরকারি খাতে নেওয়া এই ঋণ যেন কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়। কারণ এই অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় না হলে বা রাজস্ব আয় বৃদ্ধি না ঘটলে ঋণ আশীর্বাদ নয়, বরং ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক বোঝায় পরিণত হতে পারে।
