নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ২১ দিন পিছিয়েছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৬ অক্টোবর।
সোমবার সন্ধ্যায় রাকসু নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে কমিশন মনে করছে বর্তমান অবস্থা নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয়।
বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন স্থগিতের দুইটি কারণ উল্লেখ করা হয়। এর একটি হলো—শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। অন্যটি—নির্বাচন পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক ও কর্মকর্তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হওয়া। এসব বিবেচনায় উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে কমিশন নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।
পোষ্য কোটাকে ঘিরে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকেই টানা কর্মবিরতি চলছে। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের একাংশ দাবি তুলেছেন—লাঞ্ছনাকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করতে হবে।
অন্যদিকে এই অচলাবস্থার মধ্যে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। দুপুরে শাখা ছাত্রদলসহ পাঁচটি প্যানেল সংবাদ সম্মেলনে জানায়, নির্বাচনের পরিবেশ নেই। তারা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার দাবি তোলে। তবে বিকেলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ দাবি করেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই ২৫ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।
