ডেস্ক রিপোর্ট: ম্যাচের ভাগ্য আসলে গড়ে উঠেছিল প্রথম দুই ওভারেই।
তবুও দর্শকেরা স্টেডিয়াম ছাড়েননি—মূলত দুটি কারণে। জাকের আলী ও শামীম হোসেনের জুটি বাংলাদেশকে এনে দেয় এমন এক স্কোর, যে খানে মনে হচ্ছিল অঘটন ঘটতেই পারে। ৬ উইকেটে ১৩৯—এর চেয়েও কম রানে তো কত দল ম্যাচ জিতেছে আগে!
তবে শুরুতে মাঠে যা দেখেছেন দর্শকেরা, তা বিভীষিকার চেয়ে কম কিছু নয়। শেষ পর্যন্ত ৩২ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে হারের কষ্টটাও তাই তুলনায় কিছুটা হালকা লেগেছে হয়তো।
প্রথম দুই ওভারে রানশূন্য অবস্থায় দুই ওপেনার ফেরাটা ছিল বাংলাদেশের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এমন দৃশ্য এর আগে মাত্র দুইবার দেখা গেছে। তুষারা ও চামিরার স্পেল ব্যাটসম্যানদের একেবারে চেপে ধরেছিল। ১৪ বল পর প্রথম রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।
লিটন দাস শুরুতে চেষ্টা করেছিলেন দলকে টেনে তোলার, কিন্তু বেশি দূর এগোতে পারেননি। একে একে হৃদয়, মেহেদী আর লিটনের বিদায়ের পর ৫৩ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায়। মনে হচ্ছিল দ্রুতই ইনিংস গুটিয়ে যাবে।
কিন্তু জাকের আলী ও শামীম হোসেন ভরসা দিলেন। ৬১ বলে তাঁদের ৮৬ রানের জুটিতে ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৯। যদিও রানটা যে কম, সেটা বোঝা যাচ্ছিল শুরু থেকেই।
বল হাতে শুরুর দিকে কিছুটা চাপ তৈরি করলেও মিশারা ও নিশাঙ্কার জুটি ম্যাচকে নিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার দিকেই। নিশাঙ্কা অর্ধশতক করে ফিরলেও জীবন পাওয়া মিশারা অপরাজিত থেকে ৪৬ রানে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
প্রথম দুই ওভারেই যে ধস নেমেছিল, সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ হারে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখন কঠিন সমীকরণের ওপর দাঁড়িয়ে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় নয়, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য হিসাব–নিকাশের দিকেও।
