
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর খিলক্ষেতের জোয়ার সাহারা মৌজায় দুটি মসজিদ ও একটি মন্দিরের জন্য জমি বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বুধবার রেলভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির কাছে বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার (২৭ আগস্ট) রেলভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও মন্দির পরিচালনা কমিটির কাছে বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দারসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বরাদ্দকৃত জমির মধ্যে রয়েছে—
খিলক্ষেত রেলওয়ে জামে মসজিদের জন্য ০.২০১১ একর (৮,৭৬০ বর্গফুট)
আন-নূর জামে মসজিদের জন্য ০.০৫৫২ একর (২,৪০৫ বর্গফুট)
খিলক্ষেত সার্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দিরের জন্য ০.০৫৬২ একর (২,৪৫০ বর্গফুট)
বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত প্রতীকী মূল্যের বিনিময়ে এসব জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “মন্দির ও মসজিদ উভয়ের সংকট বিবেচনায় রেখে আমরা জমি বরাদ্দ দিয়েছি। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।”
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রোল মডেল। কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে অপবিত্র করার চেষ্টা যারা করে তারা আসলে অপরাধী, ধর্মীয় পরিচয়ধারী নয়।”
তিনি আরও জানান, আদালতে মামলা-মোকদ্দমাহীন বেহাত হওয়া দেবোত্তর সম্পত্তি উদ্ধারে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বলেন, “রেলওয়ের এই উদ্যোগ বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন দৃষ্টান্ত।”
মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব একে “ঐতিহাসিক ঘটনা” আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়েকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
